সম্প্রীতি ছাড়া কোনো জাতি উন্নতি করতে পারে না -হাবীব আজম

আহমদ বিলাল খানঃ

রাঙামাটিতে পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মিলিত উদ্যোগ সম্প্রীতি ও সামাজিক বন্ধন দৃঢ় রাখার একটি অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) কল্যাণপুরে শতাধিক দুঃস্থ, অসহায় ও গরিব মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানটি শুধুমাত্র শীতার্তদের তাপ দান করেনি, বরং পার্বত্য অঞ্চলের সকল জনগোষ্ঠীর মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও সহমর্মিতা আরও শক্তিশালী করেছে।প্রধান অতিথি রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মো. হাবীব আজম বলেন, শীত মৌসুমে গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো শুধু মানবিক দায়িত্ব নয়, এটি পার্বত্য অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি ও সামাজিক বন্ধন দৃঢ় রাখারও একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। পাহাড়ি ও বাঙালি সকল জনগোষ্ঠীকে নিয়ে সম্প্রীতির রাঙামাটি গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য। সম্প্রীতি ছাড়া কোনো জাতি উন্নতি করতে পারে না। তিনি আরও বলেন, যখন মানুষ একে অপরের পাশে থাকে, তারা ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে আরো সক্রিয় ও কর্মক্ষম থাকে, এবং এতে স্থানীয় অর্থনীতি ও ব্যবসাও সচল থাকে। বিশেষ অতিথি রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি আনোয়ার আল হক যোগ করেন, মানবিক উদ্যোগ এবং পার্বত্য অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর মিলিত প্রচেষ্টা স্থানীয় ব্যবসা, কৃষি ও উৎপাদনশীলতাকে সহায়তা করে। এতে সমাজে বিশ্বাস ও বন্ধন দৃঢ় হয়। সভাপতি সুশীল জীবন চাকমা বলেন, এই ধরনের উদ্যোগ শুধু মানুষের জীবনযাত্রা উন্নত করে না, বরং পার্বত্য অঞ্চলের সামাজিক বন্ধন ও সম্প্রীতিও আরও দৃঢ় করে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত শতাধিক শীতার্ত পরিবার শীতবস্ত্র পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। আয়োজকরা জানান, এই ধরনের মানবিক উদ্যোগ মানুষকে কর্মক্ষম রাখে, সামাজিক বন্ধন বজায় রাখে এবং পার্বত্য অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতাকে সহায়তা করে।