সবার আগে বাংলাদেশ’—সাম্য ও সম্প্রীতির বন্ধনে ঐক্যের আহ্বান পার্বত্য মন্ত্রীর

 

আহমদ বিলাল খান:

‘সবার আগে বাংলাদেশ। সাম্য ও সম্প্রীতির বন্ধনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমাদের নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে’—এমন দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান, এমপি। তিনি বলেন, পবিত্র মাহে রমজানের মূল শিক্ষা আত্মশুদ্ধি, সংযম, সহনশীলতা ও পারস্পরিক সহমর্মিতা—যা জাতিকে বিভাজন নয়, বরং ঐক্যের পথে পরিচালিত করে। সোমবার (০২ মার্চ) রাঙ্গামাটি শহরের বনরূপায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা শাখা আয়োজিত ‘পবিত্র মাহে রমজানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভা, ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে রমজান মাসে রাঙ্গামাটির সার্বিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখতে সকল রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। তিনি বলেন, উন্নয়ন ও শান্তির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে বিভাজনের রাজনীতি পরিহার করে জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি ও টেকসই উন্নয়নের জন্য পারস্পরিক আস্থা, সহাবস্থান ও সংলাপের সংস্কৃতি জোরদার করা জরুরি। সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমকে সফল করতে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণও অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেন তিনি। অনুষ্ঠানের শেষপর্বে দেশ ও বিশ্বের মানুষের কল্যাণ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা শাখার আমীর মুহাম্মদ আব্দুল আলীমের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার, বিএনপি জেলা সভাপতি দীপন তালুকদার (দীপু), সিনিয়র সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম ভুট্টো এবং রাঙ্গামাটি জেলা জেএসএস সভাপতি গঙ্গা মানিক। এছাড়া এবি পার্টি, রাঙ্গামাটি প্রেস ক্লাবসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা এতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানটি পার্বত্য জনপদে সাম্য, সম্প্রীতি ও আন্তঃদলীয় সৌহার্দ্য জোরদারে ইতিবাচক বার্তা বহন করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।