
রিয়াজ উদ্দিন আকাশ কাপ্তাইঃ
রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতালের কম্প্রেহেনসিভ কমিউনিটি হেলথ প্রোগ্রামের উদ্যোগে যুব স্বেচ্ছাসেবকদের অংশগ্রহণে “সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ” বিষয়ক তিনদিনব্যাপী কর্মশালা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল ১০টায় রাঙামাটি সদর উপজেলার মগবান ইউনিয়নের টং ইকো রিসোর্টে এ কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়। কর্মশালায় কাপ্তাই, রাজস্থলী ও রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ৩০ জন যুবক-যুবতী অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান ও কুষ্ঠ হাসপাতালের পরিচালক ডা. প্রবীর খিয়াং।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. হোসেন বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দুর্ঘটনা কিংবা জরুরি পরিস্থিতিতে প্রশিক্ষিত যুব স্বেচ্ছাসেবকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ প্রশিক্ষণ তরুণদের মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বাড়ানোর পাশাপাশি বাস্তব পরিস্থিতি মোকাবেলায় দক্ষ করে তুলবে। সভাপতির বক্তব্যে ডা. প্রবীর খিয়াং বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে পাহাড়ধস, দুর্ঘটনা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রায়ই ঘটে থাকে। এসব পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য স্থানীয় যুবকদের প্রশিক্ষিত করা অত্যন্ত জরুরি। এই প্রশিক্ষণ ভবিষ্যতে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করবে।চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতালের কম্প্রেহেনসিভ কমিউনিটি হেলথ প্রোগ্রামের প্রোগ্রাম ম্যানেজার বিজয় মারমার সঞ্চালনায় কর্মশালায় রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি রাঙামাটির উপ-যুব প্রধান মোহাম্মদ ফাহিম উদ্দিন এবং প্রশিক্ষণ ও সহশিক্ষা বিভাগীয় প্রধান মো. শাকিল। তিনদিনব্যাপী এ কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের দুর্যোগকালীন উদ্ধার কার্যক্রম, প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান, আহতদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া, জরুরি যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং দলগত সমন্বয়ের বিভিন্ন বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। কর্মশালায় কাপ্তাই উপজেলার রাইখালী ইউনিয়ন, রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ন এবং রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চন্দ্রঘোনা-কদমতলী ইউনিয়নের ইয়ুথ ভলান্টিয়ার টিমের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।আয়োজকরা জানান, প্রশিক্ষণার্থীদের তিনদিনের থাকা-খাওয়া ও প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত সকল ব্যয় চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতালের কম্প্রেহেনসিভ কমিউনিটি হেলথ প্রোগ্রামের নিজস্ব অর্থায়নে বহন করা হচ্ছে।





