
আহমদ বিলাল খানঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর নেতৃত্বে বিএনপি সরকারের ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও জাতীয় ঐক্য আরও সুদৃঢ় হবে বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। তিনি বলেন, এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে সমাজে কোনো ধরনের ভেদাভেদ বা বৈষম্যের স্থান থাকবে না। জাতি, ধর্ম ও বর্ণের ভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও সকল মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, শান্তি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে একসঙ্গে বসবাস করতে পারবে। রোববার রাতে রাজধানীর ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহার প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠানে ভিক্ষু-ভান্তে ও ভক্তবৃন্দের উদ্দেশ্যে বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় দেশের শান্তি, অগ্রগতি ও জনগণের কল্যাণ কামনায় অনুষ্ঠিত প্রার্থনায় অংশ নেন মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের ঘোষিত ৩১ দফা ম্যানিফেস্টো বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে বৈষম্যহীন ও সম্প্রীতিময় সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে একসঙ্গে বসবাস করবে। তিনি আরও বলেন, সরকারের এই ঘোষণাকে সর্বান্তকরণে মেনে নিয়ে দেশ ও জনগণের কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। বৌদ্ধ ধর্মের মূল বাণী ও জাতীয় ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বৌদ্ধ ধর্ম শান্তি, মৈত্রী ও মানবতার শিক্ষা দেয়। পাহাড় ও সমতলের মানুষের মধ্যে যে বন্ধন রয়েছে তা আরও দৃঢ় হোক—এটাই সবার প্রত্যাশা। ভিক্ষু-ভান্তেদের প্রার্থনা দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
দীর্ঘদিনের ইচ্ছার কথা উল্লেখ করে ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে আসতে পেরে তিনি আনন্দ প্রকাশ করেন এবং তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা জানান। বিশেষ এই প্রার্থনা অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর সহধর্মিনী মৈত্রী চাকমাও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বৌদ্ধকৃষ্টি প্রচার সংঘের সহ-সভাপতি সরুপানন্দ ভিক্ষু, ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারের উপাধ্যক্ষ আনন্দমিত্র ভান্তে, ধর্মানন্দ ভান্তে, কল্যাণ জ্যোতি ভিক্ষুসহ সংগঠনের মহাসচিব ড. সুমন কান্তি বড়ুয়া, রাঙ্গামাটি জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি মানসমুকুর চাকমা, সুভাষ চন্দ্র চাকমা, রনজিত কুমার বড়ুয়া, অনুপম বড়ুয়া, সুশীল বড়ুয়া ও পার্থ প্রতীম বড়ুয়া অপুসহ বিভিন্ন স্তরের ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও ভক্তবৃন্দ।





