ঈদুল ফিতর ও মহা বারুণী মেলা সামনে রেখে কাপ্তাইয়ে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা

কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :
রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকাল ২টা ৩০ মিনিটে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষ “কিন্নরী”-তে মাসিক আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি মো: রুহুল আমিন। সভায় উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: রুইহ্লা অং মারমা, কাপ্তাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল, ৪১ বিজিবি’র প্রতিনিধি , উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম চৌধুরী, উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা শেখ ফজলে রাব্বী, বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ফায়ার সার্ভিস প্রতিনিধি, ইউপি চেয়ারম্যান ও প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী, হেডম্যান প্রতিনিধি, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং কমিটির অন্যান্য সদস্যরা।
সভায় কাপ্তাই উপজেলার বর্তমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় সন্তোষ প্রকাশ করা হয়। এছাড়াও সামনে অনুষ্ঠিতব্য সীতারঘাট মন্দিরে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মহা বারুণী মেলা এবং পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়। এ সময় সভায় উপস্থিত সকলকে সজাগ দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানানো হয়, যাতে কেউ কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে। সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি মো: রুহুল আমিন বলেন, আসন্ন মহা বারুণী মেলা ও পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। এ সময় তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন বলেন, কাপ্তাইয়ে দীর্ঘদিন ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রয়েছে। আগামীতেও এ ধারা অব্যাহত রাখতে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: রুইহ্লা অং মারমা বলেন, বড় ধরনের ধর্মীয় ও সামাজিক আয়োজনের সময় স্বাস্থ্যসেবা প্রস্তুত রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রাখা হবে।
কাপ্তাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল বলেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সবসময় তৎপর রয়েছে। যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি নজরদারি আরও জোরদার করা হবে।