মোহাম্মদ মাসুদ
চট্টগ্রামের পতেঙ্গা বর্তমানে দেশের অন্যতম বিশুদ্ধ কোলাহলমুক্ত উন্মোক্ত বিনোদন ও দর্শনীয়স্থান গুলোর মধ্যে চট্টগ্রামবাসীর পছন্দের শীর্ষে রয়েছে।অর্ধলক্ষাধিক বেশি মানুষের সমাগম। সমুদ্র সৈকতে ঈদের পরদিন থেকে দর্শনার্থী ও পর্যটকদের ভিড়ে "জনসমুদ্র" পরিণত হয়েছে। ২৩ মার্চ (সোমবার) ঈদ ও ঈদের দিন পরদিন থেকে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে ছুটির দিন ও বিকেলগুলোতে পর্যায়ক্রমে পর্যটকদের লাখ লাখ উপচে পড়া ভিড় বিশেষ করে ঈদের পরদিন থেকে "জনসমুদ্র" লেগেই থাকে । কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত এই সৈকতে সূর্যাস্ত, শীতল বাতাস, স্পিডবোট রাইড এবং স্ট্রিট ফুডের টানে হাজারো দর্শনার্থী ভিড় জমান । সাম্প্রতিক সময়ে অবকাঠামোগত উন্নয়নের ফলে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। পতেঙ্গা সৈকতের বর্তমান চিত্র ও পরিস্থিতি চট্টগ্রামসহ সারা দেশজুড়ে। উপচে পড়া ভিড়ে বিশেষ করে ঈদের ছুটি, শুক্রবার ও শনিবার বিকেলগুলোতে অর্ধলক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটে । আকর্ষণের মধ্যে রয়েছে মনোমুগ্ধকর সূর্যাস্ত, বিশাল কংক্রিটের ব্লক, এবং কর্ণফুলী টানেলের সান্নিধ্য পর্যটকদের মূল আকর্ষণ। সুযোগ-সুবিধার অপ্রতুলত পর্যটকদের জন্য স্পিডবোট রাইড, ঘোড়ায় চড়া, মিনি ৪ চাকা মোটর জিপে চড়া, আলোকসজ্জা এবং বিভিন্ন ধরণের মুখরোচক স্ট্রিট ফুডের (কাঁকড়া ভাজি, চটপটি) ব্যবস্থা রয়েছে। সমস্যার সম্মুখীন হওয়া দর্শনার্থীদের জানান, অতিরিক্ত ভিড়, দোকানপাটের কারণে হাঁটার জায়গা কমে যাওয়া, খাবারের দোকান ও টেবিলের কারণে বসায় অসুবিধা, এবং মাঝে মাঝে পরিচ্ছন্নতার অভাব।নিরাপত্তা ও উন্নয়নে কাজে মধ্যে রাতের বেলা আলোকসজ্জার কারণে নিরাপত্তা উন্নত হলেও, জোয়ারের সময় সতর্ক থাকা প্রয়োজন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন একে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে রূরপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে ।পরিবার বা বন্ধুদের সাথে একদিনের ছুটিতে প্রকৃতির কাছাকাছি সময় কাটানোর জন্য পতেঙ্গা বর্তমানে চট্টগ্রামবাসীর পছন্দের শীর্ষে রয়েছে।
প্রধান সম্পাদকঃ মোঃশামছুল আলম, প্রকাশকঃ রবিউল হোসেন রিপন, ০১৬৩৯২২৫২০৫, সম্পাদকঃ পম্পি বড়ুয়া
Copyright © 2026 দৈনিক রাঙামাটি সময়. All rights reserved.